BoxTox

আপনি একজন উদ্দ্যোক্তা
আমরা আছি আপনার সহযোগীতায়

❓ প্রোডাক্টের প্যাকেজিং কেমন হওয়া উচিৎ তা জানতে চাচ্ছেন? [বিস্তারিত]
❓ শুরুটা শুরু করার জন্য কম পরিমান প্যাকেজিং লাগবে? [বিস্তারিত]
❓ চাহিদার সাথে মিল রেখে কাঙ্খিত বাজেটে প্যাকেজিং খুজে পাচ্ছেন না? [বিস্তারিত]
❓ প্যাকেজিং আছে, কিন্তু ব্র্যান্ডিং নাই; সমাধান কি? [বিস্তারিত]
❓ অল্প পরিমানে কালারফুল প্যাকেজিং পাচ্ছেন না? [বিস্তারিত]
❓ প্রিমিয়াম, এক্সেপশনাল বা ইউনিক প্যাকেজিং এর সল্যূশন প্রয়োজন? [বিস্তারিত]
❓ কুরিয়ার ডেলিভারীতে প্যাকেট নষ্ট হয়ে যাচ্ছে?
❓ সময় মতো প্যাকেজিং পাচ্ছেন না?

এক থেকে লক্ষ প্যাকেট - পরিমান যাই হোক না কেন; আমরা আছি আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য।

আপনি যদি উদ্দ্যোক্তা হয়ে থাকেন এবং প্রোডাক্ট প্যাকাজিং নিয়ে সমস্যায় থাকেন তাহলে এই ভিডিও টি আপনাকে সাহায্য করতে পারে। এখানে আমরা প্যাকেজিং এর খূটিনাটি বিষয়গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আপনার উদ্দ্যোক্তা জার্নিকে সহজ করতে আমরা আছি আপনার পাশে।

প্যাকেজিং নিয়ে যে কোন সমস্যার সমাধানে শুধুমাত্র একটা ফোনকল

০১৭০৪৮০০৩১০

বাকিটা করে দিবে

Packaging_Planning-350x350

প্যাকেজিং পরিকল্পনা ও করণীয়

নিচের বিষয়গুলো নিয়ে ভালোভাবে চিন্তা করার মাধ্যমে প্যাকেজিং পরিকল্পনা শুরু করতে হবেঃ

  • প্যাকেটের মাপ
  • প্যাকেটের ধরন
  • প্রোডাক্টের ধরন
  • প্রোডাক্টের ওজন
  • ডেলিভারীর মাধ্যম
  • লোগো প্রিন্ট
  • পরিমান
  • বাজেট
প্যাকেটের মাপ

প্যাকেটের মাপ হলো দৈর্ঘ্য, প্রস্থ্য ও উচ্চতা; এই তিনটি মাপের সমন্বয়। এই মাপ গুলো ইঞ্চিতে হলে ভালো হয়। দৈর্ঘ্য হচ্ছে ডান থেকে বামের মাপ, প্রস্থ্য হচ্ছে সামনে থেকে পেছনের মাপ ও উচ্চতা হচ্ছে উপর থেকে নীচের মাপ। বুঝতে সমস্যা হলে আপনার প্রোডাক্টটি মেপে তার সাথে আধা ইঞ্চি করে যোগ করলেই প্যাকেটের মাপ পেয়ে যাবেন।

জার/বোতল কিভাবে মাপতে হয়?

প্যাকেটের ধরন

বিভিন্ন রকমের প্যাকেট হয়। যেমন: মুভার বক্স, ট্রে বক্স, মেইলার বক্স, ক্লোজার বক্স ইত্যাদি। আপনাকে আপনার প্রোডাক্ট অনুযায়ী প্যাকেটের ধরন বাছাই করতে হবে। বড় / ভাড়ী /সংবেদনশীল অথবা ভঙ্গুর প্রোডক্টের জন্য মুভার বক্স ভালো। শাড়ী/পান্জাবী/থ্রি-পিস অথবা শার্টের জন্য ব্যবহার করতে পারেন ট্রে বক্স। সৌখিন অথবা গিফট আয়টেমের জন্য মেইলার বক্স নির্বাচন করতে পারেন। শো-পিসের জন্য ক্লোজার বক্স হতে পারে ভালো সল্যূশন।

প্রোডাক্টের ধরন

প্রোডাক্টর ধরন, আকার ও আয়তনের উপর নির্ভর করে প্যকেট কেমন হবে, কি ধরনের বা কি রং এর কাগজ ব্যবহার হবে, প্যাকেট আটকানোর ব্যবস্থা কেমন হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। এক কেজি মুড়ির জন্য যেমন কাগজ ব্যবহার হবে; এক কেজি ঘিয়ের জন্য তেমন কাগজ ব্যবহার করা সম্ভব নয়। বিভিন্ন রকম প্রোডাক্ট হতে পারে, যেমন: বই, কাপড়, খেলনা, শো-পিস, খাদ্য দ্রব্য ইত্যাদি। সুতরাং প্যাকেজিং পরিকল্পনার সাথে সাথে এটাও জরুরী যে প্রোডাক্টের ধরন, আকার ও আয়তন কি হবে তা মাথায় রাখা।

প্রোডাক্টের ওজন

প্রোডাক্টের ওজনের উপর নির্ভর করে নির্বাচন করতে হয় প্যাকেটের কাগজের ধরন ও পূরত্ব। কম ওজনের প্রোডাক্টের জন্য যে পূরত্বের কাগজ নির্বাচন করা হয় বেশী প্রোডাক্টের জন্য তার থেকে বেশী পূরত্বের কাগজ নির্বাচন করা হয়।

ডেলিভারীর মাধ্যম

যদি নিজস্ব ব্যবস্থায় ডেলিভারী হয় তরে সাধারন প্যাকেট’ই ভালো। থার্ড পার্টি ডেলিভারীতে একটু শক্ত ও মজবুত প্যাকের ব্যবহার করা উত্তম; কারণ থার্ড পার্টি ডেলিভারী কখনোই আপনার মত আপনার প্রোডাক্ট পরিচালনা করবে না।

লোগো প্রিন্ট

দুরকম লোগো প্রিন্ট হয়; (১) অফসেট প্রেসে রঙ্গীন প্রিন্ট ও (২) এক রঙের স্ক্রীন প্রিন্ট। বেশী পরিমানে হলে (নূন্যতম ৫০০/১০০০) অফসেট প্রেসে রঙ্গীন প্রিন্ট সাশ্রয়ী হবে। কম পরিমানে হলে এক রঙের স্ক্রীন প্রিন্ট সাশ্রয়ী হবে। আপনি চাইলে লোগো স্টিকারে প্রিন্ট করেও প্যাকেটের গয়ে লাগানো যেতে পারে।

পরিমান

প্রতিটি উৎপাদনের এটা নূন্যতম খরচ আছে। বেশী পরিমানে উৎপাদন হলে খরচ অনেক কমে যায়। পক্ষান্তরে কম উৎপাদন হলে খরচ অনেকাংশে বেড়ে যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কম পরিমানে উৎপাদনে লোগো প্রিন্ট করাটাই অসম্ভব হয়ে উঠে।

বাজেট

প্যাকেজিং এর বাজেট অনেক বড় একটা বিষয়। বাজেট ভালো থাকলে ভালো একটা প্যাকেট আশা করা যায়। পক্ষান্তরে কম বাজেটে ভালো একটা প্যাকেট আশা খুব’ই কঠিন হয়ে যায়।

প্যাকেট পরিচিতি

আমরা সবসময় নতুন মিল কগজ ব্যবহার করি। রিসাইকেল কাগজের ব্যবহার না করে নতুন কাগজ ব্যবহারে প্যাকেজিং মজবুত হয় এবং কুরিয়ারে প্রোডাক্ট নষ্ট হবার ঝুকি কম থাকে। বাজারে অনেক রকম প্যাকেট পাওয়া যায়। তবে কুরিয়ারে পন্য ডেলিভারীর কথা মাথায় রেখে উদ্দ্যোক্তাদের জন্য আমরা সাধারনত নিচের কাজগুলোই বেশী করিঃ

  • মুভার বক্স
  • ট্রে বক্স
  • মেইলার বক্স
  • ক্লোজার বক্স

আমাদের রেডিমেড ডাইজের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

মুভার বক্স

ইনিশিয়াল কোন খরচ নেই, যেকোন পরিমানে করা যায়, খুব অল্প সময়ে তৈরী করা যায়।

ব্যবহার: প্লাস্টিক জার, কাচের জার, আচার, মসলা, চিয়াসীড, মধু, মরিঙ্গা পাউডার, তেল, ল্যাপটপ, মনিটর, বেবি বাউন্সার, ব্যাগ, ফল, বাদাম/খেজুর, শাড়ী, ওয়ান-পিস, টু-পিস, থ্রি-পিস, আান স্টিস ড্রেস, বোরখা, , শার্ট, টিশার্ট, পায়জামা, পাঞ্জাবি, জিন্স প্যান্ট, লুঙ্গি, কুরআন শরীফ, বই, খাতা, স্টেশনারিজ, জায়নামাজ, বেডশিট, টাওয়েল, টাই, বেল্ট, মোজা, ঘড়ি, ওয়ালেট, সানগ্লাস, কসমেটিক, গিফট, খেলনা, কলম, জুতা, আতর, বিছানার চাদর।

মেইলার বক্স

শুরুতে ডাইজ তৈরীর খরচ আছে, যদি রেডিমেড ডাইজের সাথে মাপ মিলে যায় সেক্ষেত্রে ডাইজ তৈরীর খরচ লাগবে না, কম পরিমানে করলে খরচ অনেক বেড়ে যায়।

ব্যবহার: ফল, বাদাম/খেজুর, শাড়ী, ওয়ান-পিস, টু-পিস, থ্রি-পিস, আান স্টিস ড্রেস, বোরখা, , শার্ট, টিশার্ট, পায়জামা, পাঞ্জাবি, জিন্স প্যান্ট, লুঙ্গি, কুরআন শরীফ, বই, খাতা, স্টেশনারিজ, জায়নামাজ, বেডশিট, টাওয়েল, টাই, বেল্ট, মোজা, ঘড়ি, ওয়ালেট, সানগ্লাস, কসমেটিক, গিফট, খেলনা, কলম, জুতা, আতর, বিছানার চাদর।

ক্লোজার বক্স

শুরুতে ডাইজ তৈরীর খরচ আছে, যদি রেডিমেড ডাইজের সাথে মাপ মিলে যায় সেক্ষেত্রে ডাইজ তৈরীর খরচ লাগবে না, কম পরিমানে করলে খরচ অনেক বেড়ে যায়।

ব্যবহার: প্লাস্টিক জার, কাচের জার, আচার, মসলা, চিয়াসীড, মধু, মরিঙ্গা পাউডার, তেল, ল্যাপটপ, মনিটর, বেবি বাউন্সার, ব্যাগ, বাদাম/খেজুর, কুরআন শরীফ, বই, খাতা, স্টেশনারিজ।

ট্রে বক্স

ইনিশিয়াল কোন খরচ নেই, যেকোন পরিমানে করা যায়, খুব অল্প সময়ে তৈরী করা যায়।

ব্যবহার: ল্যাপটপ, মনিটর, বেবি বাউন্সার, ব্যাগ, ফল, বাদাম/খেজুর, শাড়ী, ওয়ান-পিস, টু-পিস, থ্রি-পিস, আান স্টিস ড্রেস, বোরখা, , শার্ট, টিশার্ট, পায়জামা, পাঞ্জাবি, জিন্স প্যান্ট, লুঙ্গি, কুরআন শরীফ, বই, খাতা, স্টেশনারিজ, জায়নামাজ, বেডশিট, টাওয়েল, টাই, বেল্ট, মোজা, ঘড়ি, ওয়ালেট, সানগ্লাস, কসমেটিক, গিফট, খেলনা, কলম, জুতা, আতর, বিছানার চাদর।

কাগজের স্তর

থ্রি প্লাই করোগেটেড শীট

থ্রি প্লাই করোগোটেড শীটে সর্বমোট ৩ স্তরে কাগজ থাকে। এর দুই পাশে ২ পরত সমান কাগজ ও ভেতরে ১ পরত ঢেউযুক্ত কাগজ থাকে। এই কাগজগুলোকে প্রয়োজন মত আঠা ও সয়ংক্রিয় মেশিনে প্রসেস করে করোগোটেড শীট তৈরী করা হয়।

ফাইভ প্লাই করোগেটেড শীট

ফাইভ প্লাই করোগোটেড শীটে সর্বমোট ৫ স্তরে কাগজ থাকে। এর দুই পাশে ২ পরত সমান কাগজ, ভেতরে ১ পরত সমান কাগজ ও ২ পরত ঢেউযুক্ত কাগজ থাকে। এই কাগজগুলোকে প্রয়োজন মত আঠা ও সয়ংক্রিয় মেশিনে প্রসেস করে করোগোটেড শীট তৈরী করা হয়।

সেভেন প্লাই করোগেটেড শীট

সেভেন প্লাই করোগোটেড শীটে সর্বমোট ৭ স্তরে কাগজ থাকে। এর দুই পাশে ২ পরত সমান কাগজ, ভেতরে ২ পরত সমান কাগজ ও ৩ পরত ঢেউযুক্ত কাগজ থাকে। এই কাগজগুলোকে প্রয়োজন মত আঠা ও সয়ংক্রিয় মেশিনে প্রসেস করে করোগোটেড শীট তৈরী করা হয়।

নাইন প্লাই করোগেটেড শীট

নাইন প্লাই করোগোটেড শীটে সর্বমোট ৯ স্তরে কাগজ থাকে। এর দুই পাশে ২ পরত সমান কাগজ, ভেতরে ৩ পরত সমান কাগজ ও ৪ পরত ঢেউযুক্ত কাগজ থাকে। এই কাগজগুলোকে প্রয়োজন মত আঠা ও সয়ংক্রিয় মেশিনে প্রসেস করে করোগোটেড শীট তৈরী করা হয়।

কাগজের ধরন

বিভিন্ন প্রযোজনে, বিভিন্ন ভাবে নীচের কাগজগুলোর সমন্বয়ে স্তর সাজিয়ে করোগেটেড শীট তৈরী হয়। এই করোগেটেড শীট আরো বেশ কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরী হয় চাহিদা অনুযায়ী প্যাকেজিং। করোগেটেড শীট কতটুকু মজবুত হবে তা নির্ভর করে কোন কোন ধরনের কাগজ কত স্তরে সাজানো হয়েছে, প্রক্রিয়াজাত করার সময়, তাপ, চাপ ও বাতাসের আর্দ্রতা  ইত্যাদি সহ আরো বেশ কিছু ইস্যূ।

ডুপ্লেক্স বোর্ড

৩০০ জি.এস.এম. এর এই কাগজটি নির্দিষ্ট আকারের বোর্ড হিসেবে পাওয়া যায়। প্যাকেজিং -এ রঙ্গিন প্র্রিন্ট, ফয়েল প্রিন্ট কিংবা লেমিনেশনের ব্যবহার থাকলে ডুপ্লেক্স বোর্ড ব্যবহার করা হয়।

কোটেড হোয়াইট

১৮০ জি.এস.এম. এর এই কাগজটি রোল হিসেবে পাওয়া যায়। প্যাকেজিং -এ স্ক্রীন প্রিন্ট, রঙ্গিন প্র্রিন্ট, ফয়েল প্রিন্ট কিংবা লেমিনেশনের ব্যবহার থাকলে কোটেড হোয়াইট পেপার ব্যবহার করা হয়।

নন-কোটেড হোয়াইট

১৮০ জি.এস.এম. এর এই কাগজটি রোল হিসেবে পাওয়া যায়। প্যাকেজিং -এ স্ক্রীন প্রিন্ট, সাধারন অফসেট প্র্রিন্টের ব্যবহার থাকলে নন-কোটেড হোয়াইট পেপার ব্যবহার করা হয়।

প্রিমিয়াম ব্রাউন

১৫০ জি.এস.এম. এর এই কাগজটি রোল হিসেবে পাওয়া যায়। প্যাকেজিং -এ স্ক্রীন প্রিন্ট, সাধারন অফসেট প্র্রিন্টের ব্যবহার থাকলে প্রিমিয়াম ব্রাউন পেপার ব্যবহার করা হয়।

নরমাল ব্রাউন

১৫০ জি.এস.এম. এর এই কাগজটি রোল হিসেবে পাওয়া যায়। প্যাকেজিং -এ স্ক্রীন প্রিন্ট, সাধারন অফসেট প্র্রিন্টের ব্যবহার থাকলে নরমাল ব্রাউন পেপার ব্যবহার করা হয়।

মিডিয়া ব্রাউন

১২০ জি.এস.এম. এর এই কাগজটি রোল হিসেবে পাওয়া যায়। মূলত করোগেটেড শীটের ঢেউ অংশে মিডিয়া ব্রাউন পেপার ব্যবহার করা হয়।